LL.B.
আইন বিষয়ে স্নাতক
ই-ক্যাব নির্বাচন ২০২৬–২০২৮ · প্রার্থী, কার্যনির্বাহী পরিষদ
চেয়ারম্যান, যাচাই ডট কম লিমিটেড (JACHAI.COM LTD.) · চেয়ারম্যান, ট্রাস্টি বোর্ড, সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি (SU)
প্রকৌশলী আব্দুল আজিজ বাংলাদেশের প্রযুক্তি, ই-কমার্স, শিল্প-বাণিজ্য ও শিক্ষা খাতের একজন উদ্যোক্তা, গবেষক, সংগঠক এবং সমাজসেবক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দেশের ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের বিকাশ, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ, কারিগরি ও উচ্চশিক্ষার উন্নয়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায়িক উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।








তিনি যাচাই ডট কম লিমিটেড (JACHAI.COM LTD.)-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির (SU) ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন শিল্প, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থেকে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, বিনিয়োগ এবং মানবসম্পদ বিকাশে ভূমিকা রেখে চলেছেন।
ই-ক্যাব নির্বাচন ২০২৬–২০২৮-এ তাঁর অংশগ্রহণের মূল লক্ষ্য হলো—সদস্যদের অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক সক্ষমতা বৃদ্ধি, নীতিগত জটিলতা নিরসন এবং একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদ্যোক্তাবান্ধব ই-কমার্স ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগে ভূমিকা রাখা।
LL.B.
আইন বিষয়ে স্নাতক
MBA
ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর
B.Sc.
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক
ডিপ্লোমা
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা
সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটিচেয়ারম্যান, ট্রাস্টি বোর্ড
আমিষ ফুডস অ্যান্ড অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডচেয়ারম্যান
সতেজ লিমিটেডব্যবস্থাপনা পরিচালক
গ্লোবাল সিটিজেন লিমিটেডব্যবস্থাপনা পরিচালক
ই-ক্যাবনির্বাচন ২০২৬–২০২৮, প্রার্থী
বেসিসনির্বাচনী অংশগ্রহণBIST, MASI, WII, NPI-সহ বিভিন্ন মেডিকেল, কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পরিচালক ও বিনিয়োগকারী হিসেবে সম্পৃক্ত। লোগো সংশ্লিষ্টতা বোঝায়, এই সাইটের সমর্থন নয়। সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি একটি অলাভজনক ট্রাস্ট।
“ই-ক্যাবের প্রথম নির্বাচনে এবং পরবর্তী সময়ে বেসিস নির্বাচনে সম্মানিত সদস্যরা যে অকৃত্রিম ভালোবাসা, আস্থা, সমর্থন ও মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে সম্মানিত করেছেন, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আমি বিশ্বাস করি, একটি বাণিজ্য সংগঠনের প্রকৃত শক্তি তার সদস্যরা।”

আমার কাছে ই-ক্যাব শুধু একটি বাণিজ্য সংগঠন নয়; এটি দেশের লাখো ই-কমার্স ও এফ-কমার্স উদ্যোক্তার সম্ভাবনা, প্রত্যাশা, অধিকার এবং অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।
01
ঢাকাকেন্দ্রিকতার বাইরে দেশের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে সদস্যসেবা সম্প্রসারণ। DBID, ট্রেড লাইসেন্স ও ব্যবসায়িক নিবন্ধনসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়। উদ্যোক্তাদের নীতিগত সমস্যা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা সরকারের কাছে কার্যকরভাবে উপস্থাপন।
02
ক্ষুদ্র ও নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ অর্থায়নের সুযোগ তৈরিতে উদ্যোগ। নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ, মেন্টরশিপ ও ব্যবসায়িক পরামর্শ। আইনগত সহায়তা, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং ব্যবসা পরিচালনার দক্ষতা বৃদ্ধিতে কার্যকর কর্মসূচি।
03
কুরিয়ার ও লজিস্টিকস সেবায় স্বচ্ছ ও উদ্যোক্তাবান্ধব নীতিমালা প্রণয়নে উদ্যোগ। পণ্য ফেরত, রিটার্ন চার্জ ও ক্ষতিপূরণসংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট নীতিমালা। COD অর্থ নিষ্পত্তিতে নির্ধারিত সময়সীমা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগ। এসক্রো ব্যবস্থায় উদ্যোক্তা ও গ্রাহক উভয়ের স্বার্থের ভারসাম্য রক্ষা।
04
আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জটিলতা নিরসনে নীতিগত উদ্যোগ। কাস্টমস, রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক লজিস্টিকস সহজীকরণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়। Amazon, eBay-সহ আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণে উদ্যোগ। দেশীয় পণ্য ও ব্র্যান্ডের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে সহায়তা।
05
সংগঠনের প্রতিটি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগ। নিয়মিত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন সদস্যদের সামনে উপস্থাপন। সদস্যদের অভিযোগ, সমস্যা ও পরামর্শ গ্রহণের জন্য কার্যকর ওয়ান-স্টপ হেল্পডেস্ক। সংগঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতিনির্ধারণে সদস্যদের মতামতকে গুরুত্ব প্রদান।
06
ব্যবসায়িক বিরোধ ও নীতিগত জটিলতা নিরসনে সহায়তা। ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পেমেন্ট গেটওয়ে ও সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ। সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণ, নেটওয়ার্কিং, বিনিয়োগ সংযোগ ও ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের সুযোগ সৃষ্টি। ই-ক্যাবকে উদ্যোক্তাদের বাস্তব সমস্যার সমাধানকেন্দ্রিক সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ।

আমি বিশ্বাস করি, একজন উদ্যোক্তার সাফল্য শুধু তাঁর ব্যক্তিগত অর্জনে সীমাবদ্ধ নয়; তাঁর উদ্যোগের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান, পরিবারের স্বাবলম্বিতা এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি।
